Showing posts with label ICT NEWS. Show all posts

আপনার মোবাইলে আছে মাত্র ৪ এমবি। এমন সময় অনলাইনে কাউকে কল দেওয়ার প্রয়োজন আপনার। কিন্তু ডাটা অন করার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইলে থাকা অন্য অ্যাপসগুলোর কারণে ওই ৪ এমবি শেষ হয়ে মোবাইলের ব্যালেন্স কাটাও শুরু! এমন বিড়ম্বনায় পড়েননি খুব কম মানুষই আছেন। বিশেষত মোবাইল নেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবচাইতে বেশি এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আর এমন বিড়ম্বনা থেকে বাঁচাতে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান শেখ সফট-এর ডেভোলোপার শেখ শামীমুল ইসলাম নিয়ে এসেছেন নতুন মোবাইল অ্যাপস ‌‌‌’ইন্টারনেট গার্ড ডাটা সেভার’।


এই অ্যাপস ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত করতে পারেন কখন কোন অ্যাপস আপনার মোবাইল ডাটা বা ওয়াইফাই ডাটা ব্যবহার করবে। আপনি চাইলে শুধুমাত্র একটি অ্যাপসের জন্য আপনার ডাটা সার্ভিস চালু করতে পারবেন। ফলে ফেসবুক বা টুইটার ব্যবহারের সময় আপনার মোবাইলে থাকা অন্য অ্যাপসগুলো ডাটা গ্রহণ করতে পারবে না। এই বিশেষ অ্যাপসটি ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার প্রয়োজনীয় অ্যাপসটি পাবে বাড়তি ইন্টারনেট গতি। অর্থাৎ অন্য অ্যাপসগুলো ডাটা সংগ্রহ না করলে নির্দিষ্ট একটি অ্যাপস পাবে আপনার সম্পূর্ণ ইন্টারনেট স্পিড।

অ্যাপসটি ডাউনলোড করা যাবে গুগোল প্লে স্টোর থেকে। অথবা এই লিংকে ক্লিক করেও আপনি অ্যাপসটি পেতে পারেন: https://play.google.com/store/apps/details?id=eu.sheikhsoft.inteetguard

অ্যাপসটির বাড়তি ফিচার হিসেবে রয়েছে লোকাল ভিপিএন এবং অ্যাডাল্ট ওয়েব সাইট ব্লক করার ব্যবস্থা। লোকাল ভিপিএন-এর মাধ্যমে আপনি চাইলে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন আপনার মোবাইলে দেখানো অন্যান্য অ্যাপসের বিজ্ঞাপনকে। শুধু তাই নয়, আপনার বিরক্তিকর ব্রাউজার পুশ নোটিফিকেশনও বন্ধ রাখতে পারেন আপনি এই অ্যাপসের মাধ্যমে।

এ ছাড়াও আপনার মোবাইল থেকে যেন কোন অ্যাডাল্ট সাইটে ভুল করে প্রবেশ করা না যায়, সেই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এই অ্যাপসে। এর মাধ্যমে ব্লক করা সম্ভব অ্যাডাল্ট সাইট ও অ্যাডাল্ট সাইটের বিজ্ঞাপনকে। ‘ইন্টারনেট গার্ড ডাটা সেভার’ সেভ করবে মোবাইল ডাটা। সেই সঙ্গে অ্যাডাল্ট সাইটের ফিশিং থেকে নিরাপদ রাখবে আপনার মোবাইলকে।


ফেসবুক নিরাপদ রক্ত পেতে জনগণের জন্য নিরাপদ রক্তদান প্রক্রিয়া আরো সহজ করতে আজ একটি রক্তদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেছে। ফেসবুক হেল্থ-এর প্রডাক্ট লিডার হেমা বুদারাজু বাসসকে বলেন, বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও নিরাপদ রক্তের ঘাটতি রয়েছে। রোগী এবং তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ রক্ত সংগ্রহ করতে অনেক ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয়। তারা যাতে চাহিদা মতো প্রয়োজনীয় নিরাপদ রক্ত পেতে পারে এ জন্য ফেসবুক আরো সহজ ও কার্যকরভাবে রক্তদাতা ও গ্রহীতাকে খুঁজে পেতে একটি ফিচার চালু করেছে।

তিনি বলেন, আমরা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য খাত বিশেষজ্ঞ, গুরুত্বপূর্ণ দাতাগণ এবং জনগণের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি। রক্তদাতাদের খুঁজে বের করতে যারা ফেসবুক ব্যবহার করে, তাদের সুবিধার্থে এই ফিচারটি ডিজাইন করা হয়েছে।

হেমা বলেন, রক্তদাতাদের উৎসাহিত করার জন্য ফেসবুক নিউজ ফিডে একটি বার্তা থাকবে। ব্যবহারকারী সাইন-আপ করার জন্য প্রোফাইল এডিট করতে পারবে। ব্যবহারকারীদের সব তথ্য গোপনীয় থাকবে এবং বাই ডিফল্ট শুধু অনলি মি সেট করা থাকবে। কিন্তু জনগণ তার রক্তের অবস্থা বা ব্লাড ডোনার স্টেটাস শেয়ার করতে পারবে।

ফিচারটি সম্পর্কে এনড্রয়েট, আইওএস এবং বাংলাদেশীরা ফেসবুক.কম/ডোনেট ব্লাড এ গিয়ে বিস্তারিত জানতে পারবে এবং একজন ব্লাড ডোনার হিসেবে সাইন-আপ করতে পারবে।

ফেসবুকের সাউথ এশিয়া প্রোগ্রাম হেড রিতেশ মেহেতা বলেন, আমরা আশা করছি, জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে রক্তদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক রক্তদান ও গ্রহণ কার্যক্রম আরো সহজতর হবে যা আগে সম্ভব ছিল না।-বাসস


ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও ছাত্ররা থিসিস করে বিভিন্ন দেশের জার্নালে পাবলিশ করতে অনলাইনে পেমেন্ট করে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশের জার্নালে কিভাবে পাবলিশ করতে হবে সেটা অনেকেই জানেন না। এ ব্যাপারেই সাহায্য করছে পেমেন্ট বিডি নামের একটি অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।

শুধু জার্নাল পাবলিশই নয়, কিভাবে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার ও কনফারেন্সে যোগদান করা সম্ভব, কিভাবে ডেলিগেশন ফী অনলাইনে পেমেন্ট করতে হবে এসব ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করছে পেমেন্ট বিডি ডটকম (www.paymentbd.com)।

পেমেন্টবিডি ডটকমের প্রধান নির্বাহী কাওসার মুহাম্মদ ইফতেখার বলেন, গত ১০ বছর যাবত আমরা জার্নাল পাবলিকেশনের ব্যাপারে সহযোগিতা করে আসছি এবং এ পর্যন্ত পৃথিবীব্যাপী অর্ধশতাধিক জার্নালে বাংলাদেশের মেধাবী ছাত্র ও শিক্ষকদের পাঁচ শতাধিক থিসিস পাবলিশ হয়েছে। এতে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশী ছাত্র ও শিক্ষকদের ভাবমূর্তি অনেক বেড়েছে। অনেক বিদেশী সিনিয়র গবেষকরা এইসব থিসিসের উপর একসাথে মিলে মিশে উচ্চতর গবেষণা চালানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তিনি আরো বলেন, জার্নাল পেমেন্ট ছাড়াও পেপাল, স্ক্রিল, নেটেলার, পারফেক্ট মানি, মাস্টার কার্ড ওয়েব মানির মাধ্যমে যে কোন ওয়েবসাইটে অনলাইন পেমেন্টের ব্যাপারে সহযোগিতা করা হয়।

দেশব্যাপী সকল ছাত্র এবং চাকরিজীবী শিক্ষকদের সুবিধার্থে পেমেন্টবিডিডট কম এর ঢাকা ও চট্টগ্রামের নিজস্ব কার্যালয় রয়েছে।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের নিউজ ফিড নিজের মতো করে সাজানোর কিছু নতুন উপায় এনেছে ফেসবুক। এ ক্ষেত্রে নিউজ ফিডে অযাচিত ও অপ্রয়োজনীয় তথ্য দূর করে সহজেই নিউজ ফিড মনের মতো সাজানোর কয়েকটি উপায় জানিয়েছে দ্য হিন্দু।

প্রতিবার লগইন করার পর আপনি বন্ধুতালিকায় থাকা ব্যক্তিদের ও বিভিন্ন পেজের মধ্যে কাকে নিউজ ফিডের ওপরে দেখতে চান, তা ঠিক করে নিতে পারবেন। নতুন টুলে ফেসবুকের বিরক্তিকর কোনো পোস্ট বারবার যেমন দেখতে হবে না তেমন অপ্রয়োজনীয় তথ্যও দূর করা যাবে।

এ জন্য প্রতিবার লগইন করার পর ”following” বা ‘’see first”-এ ক্লিক করতে হবে। এতে আপনি যাকে প্রথমে দেখতে চান ‘’see first”-এ ক্লিক করে রাখলে তাকেই আগে নিউজফিডে পাবেন।

ফেসবুকের সফটওয়্যার নিউজ ফিডে আপনাকে কোন বিষয়টি উপস্থাপন করবে তা জানবে বহু বিষয় বিবেচনা করে। এ ক্ষেত্রে কোন কোন বন্ধুর সঙ্গে আপনার ভালো আদান-প্রদান রয়েছে (যেমন আপনি তার ছবি বা পোস্টে লাইক বা কমেন্ট করেন কি না) ইত্যাদি বিবেচনা করে। আর এ ধারায় নতুন করে যোগ হলো কয়েকটি টুল।

বৃহস্পতিবার এক ঘোষণায় ফেসবুক নতুন টুলের কথা জানায়।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম অনুষঙ্গ প্রযুক্তি। আর এই প্রযুক্তির নেশায় আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেসবুকে থাকি এবং বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট/তথ্য আদান-প্রদান করি। আমাদের ফেসবুকে থাকে হাজার হাজার বন্ধু। আমরা যা স্টাট্যাস দেই তা আমাদের সকল বন্ধু দেখেন। কিন্তু আপনি নিজে কোনো স্টাট্যাসে পর্নো ভিডিও শেয়ার করছেন না, অথচ আপনার একাউন্ট থেকে অটোমেটিক পর্নো ভিডিও শেয়ার হচ্ছে। এতে নিশ্চয়ই আপনার মান সম্মানে আঘাত লাগছে।

এটা এক ধরনের ম্যালওয়ার যা প্রন-ট্রোজান নামে পরিচিত। কারও দেয়া লিংক খারাপ ফেসবুক অ্যাপস ক্লিকে আক্রান্ত হতে পারে আপনার আইডিটি। আক্রান্ত আইডি থেকে সঙ্গে সঙ্গে অটোমেটিক ২০ এর অধিক পর্নো বন্ধুদের টাইমলাইনে ট্যাগ হতে থাকে এবং সমস্ত পিসিতে ম্যালোওয়ার ছড়িয়ে পড়ে।

টাইমলাইনে পর্নো এলে যা করবেন:

১. তাড়াতাড়ি আপনার একাউন্টের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।

২. যে সব পর্নো ভিডিও আপনার টাইমলাইনে ইতোমধ্যে শেয়ার হয়েছে সেইগুলি ডিলিট ও রির্পোট করুন।

৩. ভাল এন্টিভাইরাস দিয়ে আপনার পিসিটি স্ক্যান করুন। কিছু কিছু ভাইরাস স্ক্যান করতে ব্যর্থ হয় এবং তা F-Secure scan, Trend Micro scan, ESET scan, Microsoft security software এর যে কোন একটি দিয়ে অনলাইনে সরাসরি স্ক্যান করুন। যদি আপনার ব্রাউজার গুগলক্রোম হয় তবে browser-specific scan স্ক্যান করুন।

৪. আপনার ব্রাউজারের ভার্সন আপডেট করুন।

৫. আপনার একাউন্টের সিকিউরিটি স্ট্রং করে ট্যাগ রিভিউ-এ রাখুন। কেউ যেন কোন কিছু ট্যাগ করলে আপনার রিভিউ ছাড়া যেন টাইমলাইনে প্রদর্শন না হয়। সেজন্য Setting>> Timeline and Tagging Settings>>> Who can add things to my timeline?>>> Review posts that friends tag you in before they appear on your Timeline?>>>Enable করুন।

৬. Suspicious ব্রাউজারের আড-অন রিমুভ করুন।

৭. এর পরেও আবারও পর্ণে শেয়ার হলে ,৭-৮ ঘন্টার জন্য আপনার একাউন্ট ডি-অ্যাক্টিভ করুন।

৮. আপনার একাউন্টে পর্নো শেয়ারের পরিণতির জন্য (দুঃখিত) একটি স্ট্যাটাস দিন। যদি আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে কোনও খারাপ পোস্ট চোখে পড়ে বা কোনও লিঙ্ক চোখে পড়ে তা যেন ক্লিক না করেন।

টাইমলাইনে যেন পর্নো না আসে তার জন্য করণীয়:

১. কারও দেয়া লিংকে ক্লিক করবেন না।

২. ফেসবুকে ছড়ানো খারাপ ভিডিওতে ক্লিক বা শেয়ার করবেন না ।

৩. ট্যাগ রিভিউ-এ রাখুন। কেউ যেন কোন কিছু ট্যাগ করলে আপনার রিভিউ ছাড়া যেন টাইমলাইনে প্রদর্শন না হয়। সেজন্য Setting>> Timeline and Tagging Settings>>> Who can add things to my timeline?>>> Review posts that friends tag you in before they appear on your Timeline? >>>Enable করুন।

৪. খারাপ ফেসবুক অ্যাপ বা গেইমস এ ক্লিক করবেন না। সন্দেহজনক অ্যাপ ডিলিট করুন।

আপনি কি লাল গ্রহ মঙ্গলে যেতে চান? ভয় নেই আপনাকে নভোচারী হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হতে হবে না। লাগবে না কাড়িকাড়ি টাকাও। শুধুমাত্র ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। ব্যস! মঙ্গল আপনার ডেস্কটপে। এবার যখন খুশি তখনই ঢুঁ মেরে আসুন মঙ্গল থেকে। লাল গ্রহ মঙ্গল নিয়ে যাদের জানার আগ্রহ রয়েছে তাদের জন্য দুইটি সিমুলেটর তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এই সিমুলেটর দুইটি দিয়ে ঘরে বসেই মঙ্গল গ্রহে অভিযান চালানো যাবে।


নাসা জানিয়েছে, এই সিমুলেটর দুইটিতে আছে কিউরিসিটি রোবট। যেটাতে চড়ে আপনি মঙ্গলের পৃষ্ঠে ঘুরে বেড়াতে পারবেন। সিমুলেটর দুইটি আদতে ইন্টার‌অ্যাকটিভ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন। এগুলোতে গুগল আর্থ অ্যাপ্রোচ ব্যবহার করা হয়েছে। সিমুলেটরের জন্য বিগত ৫০ বছর ধরে নাসার সংগৃহীত ছবি জোড়াতালি দিয়ে থ্রিডি গ্লোব তৈরি করা হয়েছে।

সিমুলেটরের সাহায্যে মঙ্গল পৃষ্ঠের থ্রিডি এব ‍টুডি ভিউ পাওয়া যাবে। অনেকটা গেম খেলার মতই। যেটার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে আপনার হাতে। মন চাইলে কিউরিসিটি রোবটিকে সঙ্গে নিয়ে মঙ্গলের যেথায় খুশি সেথায় হারিয়ে যেতে পারবেন। ভয় নেই হারিয়ে গেলেও পাবেন বেজ ক্যাম্পে ফিরে আসার দিক নির্দেশনা।

এই সিমুলেটর দুইটি ডাউনলোড করতে হলে নাসার অফিসিয়াল ওয়েব সাইটে যেতে হবে।

নাসার ওয়েব সাইটের ঠিকানা: http://www.nasa.gov/

নাসা

আপনাকে এখন আর হন্যে হয়ে ভর্তির জন্য সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত ওয়েবে ঘুরে সময় নষ্ট করতে হবে না ।
ভার্সিটি এডমিশন তথ্য সম্পর্কিত পরিপূর্ণ একটি অ্যাপ , ভার্সিটি এডমিশন প্রত্যাশীদের জন্য ।
এখানে এডমিশন প্রত্যাশীরা সকল পাবলিক , প্রাইভেট , বুয়েট , মেডিক্যাল সহ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সম্পর্কিত সকল তথ্য পেয়ে যাবে । এই অ্যাপ এর মাধ্যমে যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরিক্ষার তারিখ , পদ্ধতি , আবেদন প্রসেস ,রেজাল্ট সহ সকল তথ্য পাবলিশ হওয়ার কিছু সময়ের মধ্যেই পেয়ে যাবেন । এবং এই সকল তথ্য আপনার ফোনে নটিফিকেশনের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেয়া হবে ।

আপনাকে এখন আর হন্যে হয়ে ভর্তির জন্য সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত ওয়েবে ঘুরে সময় নষ্ট করতে হবে না ।
কিছু প্রশ্ন আপনার মাথায় ঘুরপাক করছে …… !
১ – এই আপ টি কাদের জন্য ?
উত্তর – যে কোন ভার্সিটি ভর্তি প্রত্যাশী সকল ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের অভিভাবক সকলের জন্য ।
২ – তারিখ বা রেজাল্ট পাবলিশ হলে নোটিফিকেশন আমি সাথে সাথে কিভাবে পাবো ?
উত্তর – যে কোন ভার্সিটির তথ্য আপডেট হলে আপনার আপ যদি অফ ও থাকে আপনাকে একটি ম্যাসেজ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে তথ্যটি পাঠিয়ে দেয়া হবে ।
৩ – আমি আমার পছন্দের ভার্সিটি কিভাবে সিলেক্ট করে রাখবো ?
উত্তর – প্রত্যেক ভার্সিটির লিস্টের পাশে একটি ফেভারিট বাটন আছে । এই আইকনে প্রেস করলে সেই ভার্সিটি আপনার পছন্দের লিস্টে চলে যাবে । এবং আপনি পরবর্তীতে “ Favorite ” প্যানেলে গিয়ে শুধু আপনার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় গুলো পাবেন ও সেগুলোর তথ্য ও আপনার কাছে চলে যাবে ।
৪ – নেট না থাকলে আমি কি সকল ডাটা পাবো ?
উত্তর – হ্যাঁ , একবার নেট অন করে নিলে সেই তথ্য আপনার ডিভাইসের অফলাইনেও সেভ হয়ে থাকবে । পরবর্তীতে কোন ডাটা কানেকশন ছাড়াই আপনি সেই তথ্য পেয়ে যাবেন ।
তবে রিয়েল টাইমে নোতিফিকেশন এর জন্য নেট কানেকশন থাকা উত্তম ।
———————————————————–
ভার্সিটির এই ভর্তি যুদ্ধে আমরা আপনার সহযোগী হতে চাই ।
Download Link: https://goo.gl/kDNr6w

মন এক দুনিয়ার কথা স্বপ্নেও অনুমান করা দুষ্কর —যার বৈশিষ্ট্য আমরা কল্পনাও করে দেখি না। মুখ উঠিয়ে আপনার ঘরের চারপাশের দিকে একবার নজর বুলিয়ে নিন, কি দেখতে পাচ্ছেন? আপনার কম্পিউটার, চেয়ার, টেবিল, আপনার বিছানা? এবার নিজের আঁকার ২০ গুন ছোট মনে করুন —এখন কি দেখতে পাবেন? হয়তো এবার মেঝের এক কোনে পড়ে রয়েছেন এবং আপনার টেবিলকে দেখতে একটি দৈত্যাকার বিল্ডিং মনে হবে। কিন্তু এভাবেই আপনাকে যদি ১০০০ মিলিয়ন গুন ছোট করে দেওয়া হয় তবে কি দেখতে পাবেন? আপনার নজরে কি কোন চেয়ার বা টেবিল আসবে? বরং আপনি সেসব জিনিষ দেখতে পাবেন যা দ্বারা আপনার চেয়ার, টেবিল সহ এই বিশ্বের প্রত্যেকটি জিনিষ গঠিত; অণু, পরমাণু, প্রোটিন, কোষ ইত্যাদি। আর আপনার আঁকার যদি ন্যানো স্কেলে নিয়ে আনা হয় তবে এবার কোন অণু বা পরমাণু নয় বরং পরমাণুর চারপাশে ঘুরতে পারবেন কিংবা এর ইলেকট্রন প্রোটনের কক্ষপথ দেখতে পাবেন। এখন ধরুন আপনি এক অসাধারণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোন একটি বস্তুর অ্যাটমকে (পরমাণু) বা অ্যাটমের গঠনকে অন্য কোন বস্তুর অ্যাটমের গঠনের সাথে পরিবর্তন করিয়ে দিলেন, তাহলে কি ঘটবে? —তাহলে অসাধারণ সব উপকরণের উদ্ভব ঘটবে যা এই দুনিয়াই আগে কখনোই ছিলোনা। আজকের দিনে নতুন রোগের ঔষধ থেকে শুরু করে আপনার কম্পিউটারের সুপার ফাস্ট প্রসেসর এবং অসাধারণ সব উপকরণ তৈরির পেছনে অত্যন্ত ক্ষুদ্র এক প্রযুক্তি কাজে আসছে যা “ন্যানো টেকনোলজি” (Nanotechnology) নামে পরিচিত এবং এটি বর্তমান বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সবচাইতে আশ্চর্যকর নিদর্শন। তো চলুন আজ ন্যানো প্রযুক্তির সম্পর্কে সকল বিস্তারিত তথ্য জেনে নেওয়া যাক…

কতো বড় এই “ন্যানো”?

আপনার স্মার্টফোন বা যেকোনো ক্যামেরা ব্যবহার করে একটি ফটো ক্যাপচার করুন এবং সেটাকে ফটোশপ দিয়ে ওপেন করুন। এবার ফটোটিকে জুম করতে থাকুন, দেখবেন জুম করতে করতে ফটোটি একসময় ঘোলা হয়ে যাবে এবং পরিশেষে শুধু চারকোনা ইটের দেওয়ালের মতো দেখতে পাওয়া যাবে। এই প্রত্যেকটি চারকোনা ব্লক গুলোকে এক একটি পিক্সেল বলা হয়, যা কোন ফটোর বর্ণনা ধারণ করে এবং একত্রে সকল পিক্সেল গুলো মিলে একটি সম্পূর্ণ ফটো তৈরি হয়। ঠিক একই ভাবে আপনার চারপাশের সমস্ত কিছু সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়েছে অতি ক্ষুদ্র উপাদান “পরমাণু” দ্বারা। চেয়ার টেবিল থেকে আরম্ভ করে আপনার শরীর পর্যন্ত পরমাণু নামক অতি ক্ষুদ্র কণিকা দ্বারা গঠিত। প্রত্যেকটি পদার্থের পরমাণুতে তার গুনের এক একটি অংশ বর্ণিত থাকে, যেমনটা কোন ফটোর প্রত্যেকটি পিক্সেলে বিভিন্ন কালার থাকে এবং একত্রে একটি ফটো তৈরি হয়। ন্যানো টেকনোলজির মূল বিষয় বস্তু এর উপরই নির্ভর; তাহলো পদার্থর গঠন এবং এর অণু, পরমাণুর গঠন এবং বৈশিষ্ট্য—এ ব্যাপার নিয়ে আরো পরে আলোচনায় আসবো, এখন ন্যানো এর আঁকার সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাক।

দেখুন আমরা এমন এক পৃথিবীর সাথে পরিচিত যেখানে আমরা মিটার, কিলোমিটার ইত্যাদি পরিমাপের সাথে অভ্যস্ত। এমন কোন জিনিসের আঁকার সম্পর্কে কল্পনা করা সত্যি কষ্টের যেটা এতোটাই ছোট যে চোখে দেখা সম্ভব নয়।  তবে ন্যানো অনেক ছোট হলেও এটি কিন্তু একটি সিঙ্গেল অ্যাটমের তুলনায় বড়। একটি অ্যাটমের ব্যাসরেখা প্রায় ০.১ ন্যানো মিটার এবং একটি অ্যাটমের নিউক্লিয়াস (অ্যাটমের ঠিক মাঝখানের একটি ঘন এলাকা যেখানে প্রোটন এবং নিউট্রন থাকে) আরো ছোট আকারের হয়ে থাকে, যেটা প্রায় ০.০০০০১ ন্যানো মিটার। বিজ্ঞান বিভাগের পটু আর গনিতের তুখারেরা এতক্ষণে ন্যানো মিটার এবং এর আঁকার সম্পর্কে ধারণা পেয়ে গেছেন, তবে সকলের বোঝার জন্য আরেকটি উদাহরণ দেওয়ার চেষ্টা করি। মনে করুন আপনার হাতে একটি অ্যাপেল রয়েছে এবং ধরে নিন এটা ১ ন্যানো মিটার, তাহলে এটি কতো ছোট? ১ মিটারের সাথে ১ ন্যানো মিটারের তুলনা করতে গেলে, আপনার হাতের অ্যাপেলটি যদি এক ন্যানো মিটার হয় তবে এই সমস্ত পৃথিবী হবে এক মিটার, বুঝতে পাড়লেন?
আপনি হয়তো আপনার জীববিজ্ঞান বইয়ের অতি ক্ষুদ্র পরজীবী কীটবিশেষ এর ছবি দেখে আশ্চর্য হয়ে থাকেন, হয়তো ভাবেন এতো ছোট জিনিসের ছবি কীভাবে উঠানো সম্ভব হয়। ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ (অতি ক্ষুদ্র বস্তু দেখার যন্ত্র) ব্যবহার করে এই ধরনের ফটোগ্রাফি করা হয়ে থাকে। এই অসাধারণ বিজ্ঞানের যন্ত্রটি এক মিটারের মিলিয়ন গুন ছোট বস্তু দেখতে পারে অর্থাৎ ১ মাইক্রোস্কোপিক মিটার সমান ১ মিটারের ১ মিলিয়ন (১০ লক্ষ) গুন ছোট ভার্সন। কিন্তু ন্যানো মানে হলো ১ মিটারের ১ বিলিয়ন (১,০০০ মিলিয়ন) গুন ছোট। তো ন্যানো মিটার কতটা ক্ষুদ্র হতে পারে কল্পনা করতে পারছেন? আমার তো কল্পনার বাইরে চলে গেছে অনেক আগেই। চলুন ন্যানো স্কেলকে আরো গভীর এবং বিস্তারিত ভাবে জানার জন্য নিচের চার্টটি দেখে নেওয়া যাক।

ন্যানো স্কেল—

  • অ্যাটম; ~০.১ ন্যানোমিটার।
  • অনুতে পরমাণু; ~০.১৫ ন্যানোমিটার অংশ জুড়ে থাকে।
  • ডিএনএ ডাবল-হেলিক্স (ডিএনএ এর অণু); ২ ন্যানোমিটার ব্যাসরেখা বিশিষ্ট।
  • আদর্শ প্রোটিন; ~১০ ন্যানোমিটার লম্বা।
  • কম্পিউটার ট্র্যানজিস্টর (যা দ্বারা কম্পিউটার প্রসেসর বা মেমোরি তৈরি হয়); ~১০০-২০০ ন্যানোমিটার প্রশস্ত।
  • আদর্শ ব্যাকটেরিয়া; ~২০০ ন্যানোমিটার লম্বা।
  • মানুষের চুল; ৫০,০০০-১০০,০০০ ন্যানোমিটার ব্যাসরেখা বিশিষ্ট।
  • একটি কাগজ; ~১০০,০০০ ন্যানোমিটার পাতলা।
  • একটি মেয়ে ১.২ মিটার (৪ ফুট) লম্বা; ~১,২০০ মিলিয়ন ন্যানোমিটার লম্বা।
  • একটি ছেলে ২ মিটার (৬.৫ ফুট) লম্বা; ২,০০০ মিলিয়ন ন্যানোমিটার লম্বা।
  • এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং; ৩৮১ মিটার (১,২৫০ ফুট) লম্বা; ~৩৮১,০০০ ন্যানোমিটার লম্বা।

    ন্যানো সায়েন্স থেকে ন্যানো টেকনোলজি

    গুগল ম্যাপের স্যাটেলাইট ভিউ এর কথা মনে আছে? যেখানে প্রাথমিক অবস্থায় আমাদের পৃথিবীকে একটি নীল সবুজের বড় গোলাকার মনে হয়। পৃথিবীর বেশিরভাগ পৃষ্ঠ জুড়ে সবুজ বৃক্ষ এবং সমুদ্র থাকার ফলে দূর থেকে পৃথিবীকে দেখতে একটি নীল সবুজের বড় গোলাকার মনে হয়। এবার ম্যাপে জুম দিতে আরম্ভ করুন, ধীরেধীরে দেখবেন অনেক দেশ নজরে আসছে তার পরে দেশের শহর গুলো নজরে আসবে তারপরে একটি নির্দিষ্ট শহর স্ক্রীনে ভেসে থাকবে। এবার শহরটির উপর জুম দিতে আরম্ভ করুন, কোন একটি এলাকা চলে আসবে এবং পরিশেষে হয়তো কোন মহল্লা বা কোন বাড়ির উপর এসে জুম শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু এটাই কি পৃথিবীর একদম শেষ প্রান্ত, মানে পৃথিবীর সেই ক্ষুদ্রতম উপাদান যা দ্বারা এই গ্রহ তৈরি হয়েছে? অবশ্যই নয়। আমাদের সাধারন দৃষ্টির চেয়ে ছোট আকারের জিনিষ গুলোকে দেখতেই ন্যানো সায়েন্সকে কাজে লাগানো হয়। এখন আবার ফিরে যাওয়া যাক সেই গুগল ম্যাপে যা কোন মহল্লার উপরে এসে শেষ হয়ে গিয়েছিল। এবার চলুন জুম দেওয়া যাক মহল্লার উপরে হয়তো মহল্লার একটি মাঠ দেখতে পাওয়া যাবে এবং জুম করতে করতে এক সময় একটি ঘাসে এসে থেমে যাবে। এবার ধারণা নিতে আরম্ভ করি ন্যানো সায়েন্স নিয়ে এবং ঘাসটিকে জুম দিতে আরম্ভ করি। ঘাসটিকে জুম দিলে এর মধ্যের উদ্ভিদ কোষ গুলো দেখতে পাওয়া যাবে এবং দেখতে পাওয়া যাবে এটি কীভাবে সূর্যের আলোর সাহায্যে নিজের জন্য খাদ্য তৈরি করছে। এভাবে আরো বিশদ জুম করতে থাকলে দেখতে পাবেন, উদ্ভিদের অণু গুলো কার্বন, হাইড্রোজেন, এবং অক্সিজেনের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে এবং এক সময় সবকিছু আলাদা ভাবে বিভক্ত হয়ে যাবে। তো এই হলো ন্যানো সায়েন্স, যেটা আমাদের একদম শিকড় থেকে বুঝতে সাহায্য করে যে প্রত্যেকটি পদার্থ কীভাবে তৈরি হয়েছে এবং এদের কোর টা কি।
    আর আমরা যখন ন্যানো সায়েন্স সম্পর্কে বুঝতে পারবো তখন এটিকে কাজে লাগিয়ে নতুন নতুন কিছু উদ্ভব করতে পারবো আর একেই বলা হবে ন্যানো টেকনোলজি। কারণ সায়েন্স থেকে টেকনোলজি আসে এবং সায়েন্স এর রুল অনুসরন করে আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরো সহজ করে তোলায় হলো টেকনোলজির কাজ।
    এখন চলুন ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে কিছু সাধারন ধারণা নেওয়া যাক—আসলে এটি কি এবং কীভাবে কাজ করে। আমি কোন জটিল আলোচনার মধ্যে পড়তে যাবো না, সাধারন কিছু উদাহরণ দিয়ে সমস্ত ব্যাপারটিকে সংক্ষেপে এবং সহজভাবে বুঝানোর চেষ্টা করবো। আচ্ছা এখন মনে করুন একটি কাপড়ের কথা এবং ধরুন আমরা ঐ কাপড়টির ন্যানো স্কেল পর্যন্ত ক্ষুদ্রতম স্থানে পৌঁছে গেছি, তাহলে কি দেখতে পাওয়া যাবে। হ্যাঁ, অবশ্যই আমরা সূতার একদম অণু পরমাণুতে পৌঁছে যাবো। সেখানে হয়তো কাপড়ের একটি সুতা থেকে আরেকটি সূতার দূরত্ব এক একটি পুকুরের সমান মনে হতে পারে। এখন ধরুন এমন একটি পদার্থ আছে যা যে কোন তরল পদার্থকে বর্জন করার ক্ষমতা রাখে। তাহলে আমরা যদি ঐ পদার্থের ন্যানো স্কেলে পৌঁছে গিয়ে সেই পদার্থের অ্যাটমিক গঠন জেনে নিতে পারি এবং কাপড়ের অ্যাটমিক গঠন ঠিক ঐ পদার্থটির সাথে পরিবর্তন করতে পারি, তবে কি হবে? তাহলে এমন একটি কাপড়ের তৈরি করা সম্ভব হবে যা পানি সহ যেকোনো তরলকে বর্জন করবে। ধরুন আপনার সাদা শার্টে তরকারির হলুদ ঝোল ভরে গেল! কি বিরক্তিকর ব্যাপার তাই না? কিন্তু ন্যানো টেকনোলজিতে উন্নত করার পরে আপনার শার্টটি তরকারির ঝোলকে বর্জিত করবে, মানে শার্টটি তরকারীতে চুবিয়ে রাখলেও এতে কোন দাগ লাগবে না। আশা করি ন্যানো টেকনোলজির মূল বিষয় বস্ত সম্পর্কে আপনি পরিষ্কার হয়ে গেছেন।

    ন্যানো টেকনোলজির ব্যবহার

    গুগল ম্যাপের স্যাটেলাইট ভিউ এর কথা মনে আছে? যেখানে প্রাথমিক অবস্থায় আমাদের পৃথিবীকে একটি নীল সবুজের বড় গোলাকার মনে হয়। পৃথিবীর বেশিরভাগ পৃষ্ঠ জুড়ে সবুজ বৃক্ষ এবং সমুদ্র থাকার ফলে দূর থেকে পৃথিবীকে দেখতে একটি নীল সবুজের বড় গোলাকার মনে হয়। এবার ম্যাপে জুম দিতে আরম্ভ করুন, ধীরেধীরে দেখবেন অনেক দেশ নজরে আসছে তার পরে দেশের শহর গুলো নজরে আসবে তারপরে একটি নির্দিষ্ট শহর স্ক্রীনে ভেসে থাকবে। এবার শহরটির উপর জুম দিতে আরম্ভ করুন, কোন একটি এলাকা চলে আসবে এবং পরিশেষে হয়তো কোন মহল্লা বা কোন বাড়ির উপর এসে জুম শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু এটাই কি পৃথিবীর একদম শেষ প্রান্ত, মানে পৃথিবীর সেই ক্ষুদ্রতম উপাদান যা দ্বারা এই গ্রহ তৈরি হয়েছে? অবশ্যই নয়। আমাদের সাধারন দৃষ্টির চেয়ে ছোট আকারের জিনিষ গুলোকে দেখতেই ন্যানো সায়েন্সকে কাজে লাগানো হয়। এখন আবার ফিরে যাওয়া যাক সেই গুগল ম্যাপে যা কোন মহল্লার উপরে এসে শেষ হয়ে গিয়েছিল। এবার চলুন জুম দেওয়া যাক মহল্লার উপরে হয়তো মহল্লার একটি মাঠ দেখতে পাওয়া যাবে এবং জুম করতে করতে এক সময় একটি ঘাসে এসে থেমে যাবে। এবার ধারণা নিতে আরম্ভ করি ন্যানো সায়েন্স নিয়ে এবং ঘাসটিকে জুম দিতে আরম্ভ করি। ঘাসটিকে জুম দিলে এর মধ্যের উদ্ভিদ কোষ গুলো দেখতে পাওয়া যাবে এবং দেখতে পাওয়া যাবে এটি কীভাবে সূর্যের আলোর সাহায্যে নিজের জন্য খাদ্য তৈরি করছে। এভাবে আরো বিশদ জুম করতে থাকলে দেখতে পাবেন, উদ্ভিদের অণু গুলো কার্বন, হাইড্রোজেন, এবং অক্সিজেনের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে এবং এক সময় সবকিছু আলাদা ভাবে বিভক্ত হয়ে যাবে। তো এই হলো ন্যানো সায়েন্স, যেটা আমাদের একদম শিকড় থেকে বুঝতে সাহায্য করে যে প্রত্যেকটি পদার্থ কীভাবে তৈরি হয়েছে এবং এদের কোর টা কি।
    আর আমরা যখন ন্যানো সায়েন্স সম্পর্কে বুঝতে পারবো তখন এটিকে কাজে লাগিয়ে নতুন নতুন কিছু উদ্ভব করতে পারবো আর একেই বলা হবে ন্যানো টেকনোলজি। কারণ সায়েন্স থেকে টেকনোলজি আসে এবং সায়েন্স এর রুল অনুসরন করে আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরো সহজ করে তোলায় হলো টেকনোলজির কাজ।
    এখন চলুন ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে কিছু সাধারন ধারণা নেওয়া যাক—আসলে এটি কি এবং কীভাবে কাজ করে। আমি কোন জটিল আলোচনার মধ্যে পড়তে যাবো না, সাধারন কিছু উদাহরণ দিয়ে সমস্ত ব্যাপারটিকে সংক্ষেপে এবং সহজভাবে বুঝানোর চেষ্টা করবো। আচ্ছা এখন মনে করুন একটি কাপড়ের কথা এবং ধরুন আমরা ঐ কাপড়টির ন্যানো স্কেল পর্যন্ত ক্ষুদ্রতম স্থানে পৌঁছে গেছি, তাহলে কি দেখতে পাওয়া যাবে। হ্যাঁ, অবশ্যই আমরা সূতার একদম অণু পরমাণুতে পৌঁছে যাবো। সেখানে হয়তো কাপড়ের একটি সুতা থেকে আরেকটি সূতার দূরত্ব এক একটি পুকুরের সমান মনে হতে পারে। এখন ধরুন এমন একটি পদার্থ আছে যা যে কোন তরল পদার্থকে বর্জন করার ক্ষমতা রাখে। তাহলে আমরা যদি ঐ পদার্থের ন্যানো স্কেলে পৌঁছে গিয়ে সেই পদার্থের অ্যাটমিক গঠন জেনে নিতে পারি এবং কাপড়ের অ্যাটমিক গঠন ঠিক ঐ পদার্থটির সাথে পরিবর্তন করতে পারি, তবে কি হবে? তাহলে এমন একটি কাপড়ের তৈরি করা সম্ভব হবে যা পানি সহ যেকোনো তরলকে বর্জন করবে। ধরুন আপনার সাদা শার্টে তরকারির হলুদ ঝোল ভরে গেল! কি বিরক্তিকর ব্যাপার তাই না? কিন্তু ন্যানো টেকনোলজিতে উন্নত করার পরে আপনার শার্টটি তরকারির ঝোলকে বর্জিত করবে, মানে শার্টটি তরকারীতে চুবিয়ে রাখলেও এতে কোন দাগ লাগবে না। আশা করি ন্যানো টেকনোলজির মূল বিষয় বস্ত সম্পর্কে আপনি পরিষ্কার হয়ে গেছেন।

    ন্যানো টেকনোলজির ব্যবহার

    গুগল ম্যাপের স্যাটেলাইট ভিউ এর কথা মনে আছে? যেখানে প্রাথমিক অবস্থায় আমাদের পৃথিবীকে একটি নীল সবুজের বড় গোলাকার মনে হয়। পৃথিবীর বেশিরভাগ পৃষ্ঠ জুড়ে সবুজ বৃক্ষ এবং সমুদ্র থাকার ফলে দূর থেকে পৃথিবীকে দেখতে একটি নীল সবুজের বড় গোলাকার মনে হয়। এবার ম্যাপে জুম দিতে আরম্ভ করুন, ধীরেধীরে দেখবেন অনেক দেশ নজরে আসছে তার পরে দেশের শহর গুলো নজরে আসবে তারপরে একটি নির্দিষ্ট শহর স্ক্রীনে ভেসে থাকবে। এবার শহরটির উপর জুম দিতে আরম্ভ করুন, কোন একটি এলাকা চলে আসবে এবং পরিশেষে হয়তো কোন মহল্লা বা কোন বাড়ির উপর এসে জুম শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু এটাই কি পৃথিবীর একদম শেষ প্রান্ত, মানে পৃথিবীর সেই ক্ষুদ্রতম উপাদান যা দ্বারা এই গ্রহ তৈরি হয়েছে? অবশ্যই নয়। আমাদের সাধারন দৃষ্টির চেয়ে ছোট আকারের জিনিষ গুলোকে দেখতেই ন্যানো সায়েন্সকে কাজে লাগানো হয়। এখন আবার ফিরে যাওয়া যাক সেই গুগল ম্যাপে যা কোন মহল্লার উপরে এসে শেষ হয়ে গিয়েছিল। এবার চলুন জুম দেওয়া যাক মহল্লার উপরে হয়তো মহল্লার একটি মাঠ দেখতে পাওয়া যাবে এবং জুম করতে করতে এক সময় একটি ঘাসে এসে থেমে যাবে। এবার ধারণা নিতে আরম্ভ করি ন্যানো সায়েন্স নিয়ে এবং ঘাসটিকে জুম দিতে আরম্ভ করি। ঘাসটিকে জুম দিলে এর মধ্যের উদ্ভিদ কোষ গুলো দেখতে পাওয়া যাবে এবং দেখতে পাওয়া যাবে এটি কীভাবে সূর্যের আলোর সাহায্যে নিজের জন্য খাদ্য তৈরি করছে। এভাবে আরো বিশদ জুম করতে থাকলে দেখতে পাবেন, উদ্ভিদের অণু গুলো কার্বন, হাইড্রোজেন, এবং অক্সিজেনের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে এবং এক সময় সবকিছু আলাদা ভাবে বিভক্ত হয়ে যাবে। তো এই হলো ন্যানো সায়েন্স, যেটা আমাদের একদম শিকড় থেকে বুঝতে সাহায্য করে যে প্রত্যেকটি পদার্থ কীভাবে তৈরি হয়েছে এবং এদের কোর টা কি।
    আর আমরা যখন ন্যানো সায়েন্স সম্পর্কে বুঝতে পারবো তখন এটিকে কাজে লাগিয়ে নতুন নতুন কিছু উদ্ভব করতে পারবো আর একেই বলা হবে ন্যানো টেকনোলজি। কারণ সায়েন্স থেকে টেকনোলজি আসে এবং সায়েন্স এর রুল অনুসরন করে আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরো সহজ করে তোলায় হলো টেকনোলজির কাজ।
    এখন চলুন ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে কিছু সাধারন ধারণা নেওয়া যাক—আসলে এটি কি এবং কীভাবে কাজ করে। আমি কোন জটিল আলোচনার মধ্যে পড়তে যাবো না, সাধারন কিছু উদাহরণ দিয়ে সমস্ত ব্যাপারটিকে সংক্ষেপে এবং সহজভাবে বুঝানোর চেষ্টা করবো। আচ্ছা এখন মনে করুন একটি কাপড়ের কথা এবং ধরুন আমরা ঐ কাপড়টির ন্যানো স্কেল পর্যন্ত ক্ষুদ্রতম স্থানে পৌঁছে গেছি, তাহলে কি দেখতে পাওয়া যাবে। হ্যাঁ, অবশ্যই আমরা সূতার একদম অণু পরমাণুতে পৌঁছে যাবো। সেখানে হয়তো কাপড়ের একটি সুতা থেকে আরেকটি সূতার দূরত্ব এক একটি পুকুরের সমান মনে হতে পারে। এখন ধরুন এমন একটি পদার্থ আছে যা যে কোন তরল পদার্থকে বর্জন করার ক্ষমতা রাখে। তাহলে আমরা যদি ঐ পদার্থের ন্যানো স্কেলে পৌঁছে গিয়ে সেই পদার্থের অ্যাটমিক গঠন জেনে নিতে পারি এবং কাপড়ের অ্যাটমিক গঠন ঠিক ঐ পদার্থটির সাথে পরিবর্তন করতে পারি, তবে কি হবে? তাহলে এমন একটি কাপড়ের তৈরি করা সম্ভব হবে যা পানি সহ যেকোনো তরলকে বর্জন করবে। ধরুন আপনার সাদা শার্টে তরকারির হলুদ ঝোল ভরে গেল! কি বিরক্তিকর ব্যাপার তাই না? কিন্তু ন্যানো টেকনোলজিতে উন্নত করার পরে আপনার শার্টটি তরকারির ঝোলকে বর্জিত করবে, মানে শার্টটি তরকারীতে চুবিয়ে রাখলেও এতে কোন দাগ লাগবে না। আশা করি ন্যানো টেকনোলজির মূল বিষয় বস্ত সম্পর্কে আপনি পরিষ্কার হয়ে গেছেন।

    ন্যানো টেকনোলজির ব্যবহার

    ন্যানো টেকনোলজির বেশিরভাগ সুবিধা হয়তো ভবিষ্যতের কয়েক দশকের মধ্যে দেখতে পাওয়া যাবে কিন্তু বর্তমানেও এই প্রযুক্তি নানান ভাবে আমাদের পৃথিবীকে পরিবর্তিত করতে সাহায্য করছে। আপনি হয়তো ভাবছেন ন্যানো টেকনোলজি একে বারে অসাধারণ জিনিষ এবং এটি সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তি—কারণ “টেকনোলজি” বলতে আমরা মানুষের তৈরি টেকনিককেই মনে করি। কিন্তু আমাদের জীবন নিজে থেকেই ন্যানো টেকনোলজির এক বিরাট উদাহরণ। আমাদের শরীরে প্রোটিন, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, কোষ ইত্যাদি ন্যানো টেকনোলজির সূত্রেই কাজ করে।

    ন্যানো ম্যাটেরিয়াল

    হতে পারে বর্তমানেই আপনি অলরেডি ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহার করছেন। হতে পারে আপনি ন্যানোটেকনোলজি প্যান্ট পরিধান করে আছেন কিংবা আপনার শার্টটি ন্যানোটেকনোলজিতে তৈরি। এমনকি হতে পারে আপনার বিছানার চাদর থেকে শুরু করে ট্র্যাভেলিং বাগটিও ন্যানোটেকনোলজিতে প্রস্তুত। ন্যানোটেকনোলজিতে তৈরি কাপড় গুলোর তন্তু এতোটাই সূক্ষ্ম যে এতে ধুলি বালু কণা আটকে থাকতে পারে না, ফলে কাপড় অনেক কম নোংরা হয়। কিছু ব্র্যান্ডের সানস্ক্রীন ক্রিমে ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহার করা হয়, এতে ক্রিমটি আপনার স্কিনে লাগানো মাত্র এটি টাইটানিয়াম অক্সাইড অথবা জিঙ্ক অক্সাইডের আস্তরণ ফেলে দেয়, ফলে এটি সূর্যের ক্ষতিকর আলট্রা ভায়োলেট রশ্মিকে ব্লক করে দেয়। ন্যানোটেকনোলজিতে তৈরি অনেক পেইন্টও এভাবেই কাজ করে, ফলে এটি অধিক দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং কম ক্ষয় প্রাপ্ত হয়।
    কার্বন ন্যানো টিউব হচ্ছে সবচাইতে অসাধারণ ন্যানো ম্যাটেরিয়াল। এর অ্যাটমিক গঠনের ফলে এটিকে অত্যন্ত মজবুত একটি পদার্থতে পরিণত করেছে। একে ফাইবারের আঁকারে যেকোনো লম্বা পরিমাপে বানানো সম্ভব।

    ন্যানো চিপ

    মাইক্রো ইলেক্ট্রনিক্স হলো ন্যানো টেকনোলজির আরেকটি রুপ। সাধারনত মাইক্রো ইলেক্ট্রনিক্সে “মাইক্রো” শব্দটি ব্যবহার করা হয় কারণ এর আঁকার মাইক্রোস্কোপিক স্কেলের হয়ে থাকার কারণে। কিন্তু কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা উদ্ভবন করেন যে, একই জায়গার মধ্যে বেশি ট্র্যানজিস্টর আটাতে পারলে কম্পিউটারের সাইজ আরো ছোট এবং বেশি পাওয়ারফুল বানানো সম্ভব। আর এর জন্যই আজকের কম্পিউটার গুলো সাইজে অনেক ছোট, অনেক বেশি শক্তিশালী এবং সস্তা মুল্যের হয়ে থাকে। বর্তমানে কম্পিউটার প্রসেসর ১০০-২০০ ন্যানোমিটারের ট্র্যানজিস্টর দ্বারা প্রস্তুত হয়ে থাকে এবং দিনদিন এর সাইজ আরো কমানো হচ্ছে আর এই সবই সম্ভব হচ্ছে ন্যানো টেকনোলজির ফলে।
    শুধু কম্পিউটার প্রসেসর নয়, বরং ফ্ল্যাট স্ক্রীন এচডি টিভি, স্মার্টফোন, আইপড ইত্যাদি সব গুলোতেই ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহার করে চিপ লাগানো থাকে।

    ন্যানো মেশিন

    ন্যানো টেকনোলজির আরেকটি মজার ব্যাপার হলো এ দ্বারা অত্যন্ত ক্ষুদ্র মেশিন বানানো সম্ভব; যেমন গিয়ার, সুইচ, পাম্প, মেশিন —এবং সম্পূর্ণ আলাদা অ্যাটম থেকে। ন্যানো মেশিন দ্বারা ন্যানো রোবট তৈরি করা সম্ভব যেগুলোকে ন্যানোবট বলা হয়। ন্যানোবটকে আমাদের শরীরের মধ্যে ইনজেক্ট করে দেওয়া সম্ভব যাতে এটি প্রতিকুল পরিবেশে বিপদের সাথে লড়তে পারে।

    শেষ কথা

    ন্যানো টেকনোলজি ভবিষ্যৎ এ আরো রাজ করবে এই বাক্যে কোন সন্দেহ নেই। তবে এই প্রযুক্তির সুফলের সাথে সাথে কিছু অসুবিধারও হুমকি রয়েছে। যেমন ন্যানোবট মানব দেহে ইনজেক্ট করার মাধ্যমে ক্যান্সার ঘটাতে পারে। ন্যানো বট অত্যন্ত ছোট হওয়ার কারণে অনেক ডাক্তাররা আসঙ্খা করছেন যে এটি রক্তের সাথে ব্রেনের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে ফলে কেউই জানেন না কি ঘটতে পারে এতে। ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে আপনার মতামত জানাতে এবং এই প্রযুক্তি সম্পর্কে আপনার আরো তথ্য জানা থাকলে নিচে টিউমেন্টে তা আমাদের সাথে শেয়ার করুন। টিউনটি ভালো লাগলে এবং উপকৃত হলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না।


বলেছে। স্যামসাংয়ের মোবাইল ব্যবসা বিভাগের প্রধান ডংজিন কোহ বলেছেন, গ্যালাক্সি নোট সিরিজে চমক দেবে প্রতিষ্ঠানটি। গ্যালাক্সি নোট ৯ হবে বিশ্বের প্রথম ভাঁজ করার সুবিধাযুক্ত স্মার্টফোন।
সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার এক সম্মেলনে সাংবাদিকদের কোহ বলেন, স্যামসাং আশা করছে আগামী বছর ফ্ল্যাগশিপ গ্যালাক্সি নোট লাইনে নমনীয় স্মার্টফোন আনা সম্ভব হবে। এ প্রযুক্তির স্মার্টফোন বাজারে ছাড়তে এখনো বেশ কিছু বাধা পেরোতে হবে। এসব সমস্যার সমধান না হলে অবশ্য ভাঁজ করার সুবিধাযুক্ত স্মার্টফোন বাজারে আসা পেছাতে পারে। তবে স্যামসাংয়ের মোবাইল বিভাগের প্রধান হিসেবে বলতে পারি, আমাদের লক্ষ্য পরের বছর। ওই বছর আসবে নমনীয় স্মার্টফোন।
এর আগেও স্যামসাংয়ের ভাঁজ করার সুবিধাযুক্ত স্মার্টফোনের কথা শোনা গেছে। ২০১৩ সালে ‘ইয়োম’ নামে নমনীয় ডিসপ্লের প্রটোটাইপ দেখিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। অর্থাৎ চার বছর ধরে ভাঁজ করার সুবিধাযুক্ত স্মার্টফোন নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
এ বছরের জানুয়ারিতে গুঞ্জন উঠেছিল স্যামসাং গ্যালাক্সি এক্স নামের নমনীয় স্মার্টফোন বাজারে ছাড়বে। সাত ইঞ্চি মাপের ওএলইডি ডিসপ্লের ওই ডিভাইসটি ভাঁজ করে পকেটে রাখা যাবে। ওই সুবিধা ২০১৮ সালে বাজারে আসা নোট ৯-এ থাকবে কি না, তা জানা যায়নি।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে কোহ বলেন, স্যামসাং বর্তমানে স্পিকার নির্মাতা হারমানের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমান স্পিকার তৈরিতে কাজ করছে। এ স্পিকার ব্যবহার করে ঘরের বিভিন্ন যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

বিজ্ঞানীরা মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সরাসরি শনাক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। আপেক্ষিকতা তত্ত্বে এই মহাকর্ষীয় তরঙ্গেরই পূর্বাভাস দিয়েছিলেন আলবার্ট আইনস্টাইন। ১০০ বছর পর তা সঠিক বলে প্রমাণিত হলো। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।

আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব ১৯১৫ সালে প্রথম প্রকাশিত হওয়ার পর একে একে এর পূর্বাভাস মিলতে শুরু করে। কিন্তু তাঁর ওই তত্ত্বের একটি পূর্বাভাসের সরাসরি প্রমাণ মিলছিল না কিছুতেই। তা হলো ‘গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ’ বা মহাকর্ষীয় তরঙ্গ। ১৪০০ কোটি বছর আগে মহাবিস্ফোরণ বা ‘বিগ ব্যাং’-এর পর যে উত্তাল ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়েছিল, সেটাই মহাকর্ষীয় তরঙ্গ। পুকুরে ঢিল ফেললে যেমন ঢেউ ছড়াতে ছড়াতে সেটি পাড়ে পৌঁছে যায়, তেমনই এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে এখনো ওই মহাকর্ষীয় তরঙ্গ ছড়িয়ে পড়ছে। আর চারপাশে অসম্ভব দ্রুতগতিতে মহাবিশ্ব এখনো প্রসারিত হয়ে চলেছে। তাই সেই তরঙ্গের পরিধিও উত্তরোত্তর বাড়ছে, কিন্তু তার হদিস পাচ্ছিলেন না মহাকাশবিজ্ঞানীরা। সে কারণে ভাবনা শুরু হয়েছিল আইনস্টাইনের তত্ত্বের পরিবর্ধন-পরিমার্জনেরও। অবশেষে ১০০ বছর পর তাঁর তত্ত্বই সঠিক প্রমাণিত হলো। সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদে মহাকর্ষীয় তরঙ্গের যে গাণিতিক পূর্বাভাস তিনি দিয়েছিলেন, তা পুরোপুরি সঠিক হলো। সরাসরি শনাক্ত হলো মহাকর্ষীয় তরঙ্গ।
মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্তের জন্য বিজ্ঞানীরা লেজার রশ্মি ভ্রমণ করতে পারে—এমন চার কিলোমিটার দীর্ঘ টানেল তৈরি করেন। গবেষকেরা বলছেন, পৃথিবী থেকে ১০০ কোটিরও বেশি আলোকবর্ষ দূরে দুটি কৃষ্ণগহ্বরের সংঘর্ষের ফলে স্থান-কাল কীভাবে বেঁকে যায়, তা তাঁরা পর্যবেক্ষণ করেছেন।
আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দল লিগো কোলাবোরেশন বলছে, প্রথমবারের মতো মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করার মাধ্যমে জ্যোতির্বিজ্ঞানে নতুন যুগের সূচনা হবে। কয়েক দশক ধরে অনুসন্ধানের পর গবেষণাটি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাল। এর মাধ্যমে ‘বিগ ব্যাং’ সম্পর্কে আরও জানার সুযোগ হতে পারে। তত্ত্ব অনুযায়ী বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমেই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছিল।
লিগো কোলাবোরেশনের গবেষণা প্রতিবেদনটি বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ফিজিক্যাল রিভিউ লেটার্স-এ প্রকাশের জন্য গৃহীত হয়েছে।
লিগো কোলাবোরেশন এ নিয়ে বিশ্বের কয়েকটি গবেষণাগারে পরীক্ষা চালায়। লিগো প্রজেক্টের নির্বাহী পরিচালক ডেভিড রিজ বলেন, ‘আমরা মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করেছি। এই প্রথম মহাকর্ষীয় তরঙ্গের মাধ্যমে মহাবিশ্ব আমাদের সঙ্গে কথা বলল। এর আগ পর্যন্ত আমরা ছিলাম বধির।’
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাভিটেশনাল ফিজিকস ও হ্যানোভারের লাইবনিজ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক কার্সটেন ডানসমান ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের মধ্যে ওই যৌথ গবেষণায় নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন, ‘হিগস কণা আবিষ্কারের পর এই মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করার বিষয়টিই বিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। কোনো সন্দেহ নেই, এটি নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য। …এটি আপেক্ষিকতা তত্ত্বের বক্তব্য নিশ্চিত করল।’
মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করার এ ঘটনা বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি বিশেষ মুহূর্ত মনে করেন স্টিফেন হকিং।

MARI themes

Powered by Blogger.